![]() |
| ছবি সংগ্রহকৃত |
বিয়ের তিন বছর হয়েছে তবে সন্তান নাহওয়ায় চাপা খুব ও অভিমান রয়েছে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে। প্রায় ঝগড়া বিবাদ হতো স্বামী স্ত্রীর মধ্যে। সন্তান না হওয়ায় চরম ডিপ্রেশনে আত্মহত্যা করেছেন ফাহমিদা আক্তার নামের বিয়ানীবাজার উপজেলার এক গৃহবধূ। এমনটাই দাবি তার স্বামীর। এই গৃহবধূর বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশিরবন্দ এলাকার আব্দুর রহমানের স্ত্রী। তবে সেই গৃহবধুর পরিবারের দাবি ফাহমিদাকে হত্যা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্বামীর অভিযোগ মঙ্গলবার দিবাগত রাত্রে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি রাত অনুমানিক তিনটার সময় ঝগড়া করে ঘর থেকে বেরিয়ে আসলে স্ত্রী লাগিয়ে দেন ঘরের দরজা। ঘন্টাখানেক পর রাত অনুমানিক চারটার সময় অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খুলায় পরিবারের সবাই মিলে দরজা ভেঙ্গে দেখেন ফাহমিদার ঝুলন্ত লাশ। একই কথা জানান পরিবারের অন্যান্য সদস্য।
এদিকে নিহত ফাহমিদার বাবা এবং ভাই অভিযোগ করেন ফাহমিদাকে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত মোবাইলে হাসিখুশি ভাবে কথা বলেছিল সে তবে কিছুক্ষণ পর মেয়ের জামাই কল দিয়ে জানান ফাহমিদা অসুস্থ এবং পরদিন সকালে জানান সে আত্মহত্যা করেছে। ফাহমিদের পরিবারের লোকেদের দাবি ফাহমিদাকে মানসিকভাবে অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ এবং ফাহমিদার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটিকে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে আসেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নেতৃবৃন্দ এবং জানান দীর্ঘদিন ধরে দুটি পরিবারের মধ্যে টাকা নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে ফাহমিদা কেন আত্মহত্যা করেছে সেটা জানেন না।
বিয়ানীবাজার থানার ইন চার্জ পিপিএম তাজুল ইসলাম জানান লাশটিকে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনানু প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
